Monday , April 22 2019
Home / bangladesh / 'সাফল্য পাওয়ার মতো পেসার রয়েছে বাংলাদেশের'

'সাফল্য পাওয়ার মতো পেসার রয়েছে বাংলাদেশের'



নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সব ফরমেট মিলিয়ে ২1 ম্যাচ খেলেও জয়ের মুখ দেখেনি বাংলাদেশ. এবার টাইগারদের সামনে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর চ্যালেঞ্জ. আর প্রতিকূল কন্ডিশনে বাংলাদেশকে সফল হওয়ার টোটকা বাতলে দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক পেসার জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার ড্যানি মরিসন. ক'দিন আগেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) ধারাভাষ্য দিয়ে গেছেন তিনি. কাছ থেকে দেখেছেন সম্ভাবনাময় পেসারদের পারফরম্যান্স. মরিসনের চোখে, নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সাফল্যের জন্য পেসারদের ওপর আস্থা রাখতে হবে. আর বাংলাদেশ দলে সেরকম পেস বোলার রয়েছে বলে মনে করেন তিনি. এই প্রথম নিউজিল্যান্ড সফরে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ. তার আগে রয়েছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ. আর এই দীর্ঘ সফরে পেস বোলারদের ভূমিকা বড় করে দেখছেন 48 টেস্টে 160 ও 96 ওয়ানডেতে 1২6 উইকেট নেয়া মরিসন. তিনি বলেন, 'আমার মনে হয় দীর্ঘ সফরে ভালো করার মতো যেমন পেস বোলিং বিভাগ দরকার, বাংলাদেশের তা রয়েছে. মোস্তাফিজের প্রতিভা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই. রুবেলের গতি যথেষ্ট. দুই বছর আগে তার ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও এখন সে নিজেকে বেশ গুছিয়ে এনেছে. বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যেও বৈচিত্র্য আছে. তারা ভিন্ন ভিন্ন দৈহিক উচ্চতার. দুজন বাঁ-হাতি পেসার রয়েছে. তারা বেশ ভালো সুইং করতে পারে. বিপিএলে চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে খেলা খালেদ আহমেদের দারুণ সম্ভাবনা দেখছেন মরিসন. বলেন, 'একটা পেসার আছে, খালেদ আহমেদ নাম, বেশ লম্বা করে. বিপিএলে ওর পারফরম্যান্সে আমি মুগ্ধ হয়েছি. বাংলাদেশের বোলিংয়ে সে আরো বৈচিত্র্য আনতে পারবে. 'নিউজিল্যান্ডের প্রতিকূল আবহাওয়ায় ভালো করতে হলে পেস বোলারদের সুইং নির্ভর হতে হবে বলে মনে করেন মরিসন. বলেন, 'আমরা ধারাভাষ্যকাররা সব সময় এটটা কথা বলি, বোলিংয়ের প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পাঠ লাইন আর লেন্থ. এই দুটি বজায় রেখে বল করতে হবে. কীভাবে সুইং করাতে হয়, সেটা জানতে হবে. নিউজিল্যান্ড দলে টিম সাউদি, নিল ওয়াগনার, ট্রেন্ট বোল্ট, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমরা একে অপরের চেয়ে ভিন্ন. বোলিংয়ের এই বৈচিত্র্যই ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করে. নিউজিল্যান্ডের বৈচিত্র্যময় আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশের পেসারদের তা মানিয়ে নিতে হবে. 'ইনজুরির কারণে নিউজিল্যান্ড সফর থেকে ছিটকে পড়া তাসকিন আহমেদের জন্য খারাপ লাগছে মরিনসনের. তিনি বলেন, 'তাসকিন খেলতে পারলে বাংলাদেশের জন্য বেশ ভালো হতো. তরুণ প্রতিভাদের ঠিকঠাক পরিচর্যা করতে গেলে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, তাসকিনের ক্ষেত্রেও তেমনটাই হচ্ছে. 'পেসারদের ফিটনেস ধরে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হবে সতর্ক করে দিয়েছেন মরিসন. তিনি বলেন, 'তিন টেস্টের দীর্ঘ সিরিজে পেসারদের ফিট থাকা বিরাট চ্যালেঞ্জ. বাংলাদেশের পেসাররা কতটুকু ফিট থাকতে পারছে, প্রতিকূল পরিবেশে কীভাবে মানিয়ে নিয়ে দলের বোলিংয়ের হাল ধরতে পারছে, এসব কিছুর ওপরই নির্ভর করবে সিরিজের ফলাফল. 'নেপিয়ারে আগামীকাল সকাল 7 টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে.

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত


Source link